ডা. হিসেবে উচ্চ পর্যায়ের সম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছিল সাবরিনা

সংবাদ জমিন, অনলাইন ডেস্ক ঃঃ

জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরী চিকিৎসক হওয়ায় স্বাস্থ্য অধিদফতরসহ বিভিন্ন জায়গায় তার পরিচিতি ছিল। আর এই চিকিৎসক হিসেবে তার ফেসভ্যালু এবং পরিচিতিকে পুঁজি করেই বিভিন্ন মহলে প্রতারণা করে আসছিল সে। শনিবার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সাবরিনার এমন জালিয়াতি-প্রতারণার তথ্য তুলে ধরেন গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন। করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা না করেই রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগ ওঠায় জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা চৌধুরীকে গত ১২ জুলাই গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে তাকে তেজগাঁও থানা পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকলেও সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় গ্রেফতার দেখানো হয়। ১৩ জুলাই তার তিন দিনের রিমান্ডে মঞ্জুর করেন আদালত। ১৭ জুলাই তাকে আরো দুদিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। ডা. সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদ এবং এ সংক্রান্ত মামলার তদন্তের বিষয়ে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) এই কর্মকর্তা বলেন, ডা. সাবরিনা চিকিৎসক হিসেবে তার ফেসভ্যালু এবং পরিচিতিকে পুঁজি করে প্রতারণা করেছেন। তিনি সরকারি সংস্থার কাজ করছিলেন। তদন্তে তার যেসব অনিয়মের তথ্য আমরা পাবো, সেগুলো সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও মন্ত্রণালয়কে (স্বাস্থ্য অধিদফতর ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়) জানাবো, তারা অনিয়ম বিবেচনা করবে যে, সেগুলো ডিপার্টমেন্টাল অফেন্স নাকি ক্রিমিনাল অফেন্স। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা পদক্ষেপ নেব। সাবরিনার অনিয়মের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের কোনো কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে কিনা? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে আব্দুল বাতেন বলেন, তদন্তে যাদের সংশ্লিষ্ট মনে হবে তাদেরই আমরা জিজ্ঞাসাবাদ করব।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.