যেসব আইনজীবিরা ধর্ষকের পক্ষে দাঁড়ায় তারাও ধর্ষক

সায়েদুন নেছা রুনা ঃঃ

কোনো মেয়ে নিজের ধর্ষণের ব্যাপারে মিথ্যা বলে না সে যত খারাপই হোক। যেসব উকিল ধর্ষকের পক্ষে দাঁড়ায় তারাও ধর্ষক। কারন তারা অপরাধীদের বাঁচিয়ে অপরাধ বাড়ায়। আজ পর্যন্ত যদি কোনো ধর্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতো তাহলে দেশে এত ধর্ষন হতো না। কিছু উকিলদের জন্য বারবার ছাড় পেয়ে যায় ধর্ষক।গত এক বছরে সারা বংলাদেশে এত মেয়ে ধর্ষিতা হয়েছে, তা গত বারো বছরে হয়েছে কিনা সন্দেহ আছে।আর সপ্তাহ খানেক ধরে প্রত্যক সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্ষণ নিয়ে লেখালেখি সবার শীর্ষে। বেজন্মা উকিলগুলি খবর পড়ে আর হাসে। আহ্ মামলা পেয়ে গেলাম জামিন করাতে পারলেই মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিতে পারবো। বৌ-বাচ্চা নিয়ে ভুরিভোজ করে খাওয়া যাবে।আরে হারামজাদা ঐ ধর্ষিতা মেয়ের জায়গায় তোর বৌ-মেয়ে কে একবার ভেবে দেখ। ওহ্ এটা ভাবতে গেলে তো কলিজা ছিদ্র হয়ে যায় তাইনা। তাহলে এটাই তোদের বোঝা উচিত যে মেয়েটি ধর্ষিতা হলো তার পরিবারের সদস্যদের অবস্থা কি? একটা ধর্ষিতা মেয়েকে সমাজে বেশ্যা বানাতে বিবেকে বাধে না। যদি আপনাকে বেশ্যার বাবা বলা হয় কেমন লাগবে যদি আপনাকে বলে বেশ্যা বৃত্তি করিয়ে টাকা নেয়ার জন্য মামলা করেছেন তো বুকটা ফেটে যাবে, তো মরে যেতে ইচ্ছা করবে? তাহলে একটু ভাবুন আদালতে দাঁড়িয়ে যখন ঐ অসহায় ধর্ষিতা মেয়ের দিকে আঙুল তুলে তাকে বেশ্যা প্রমাণ করেন তখন কি তার বাবার বুক ফাঁটে না। তার কি বেঁচে থাকতে ইচ্ছা থাকে? মনুষ্যত্ব বিক্রি করে দিয়েছেন অর্থের লোভে। যেসব উকিলদের মাঝে বিন্দুমাত্র মনুষ্যত্ব আছে তারা কখনোই ঐ কুকুরের সহযোগী হয়ে মামলা নিবেন না। মামলা নেয় বেজন্মা বেওয়ারিশ মানুষরুপী ধর্ষক উকিলেরা। এবার ধর্ষণের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক এটাই কাম্য। তাহলেই এই অপরাধ নির্মূল করা সম্ভব হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.