বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনায় জিয়ার হাত ছিল

সংবাদ জমিন, অনলাইন ডেস্ক ঃঃ

জাতির জনক বঙ্গবঙ্গুকে স্ব পরিবারে হত্যার নেপথ্যে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ত ছিলো! বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় ফাসিঁ কার্যকরের আগে ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদের দেয়া এ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেখানে বঙ্গবন্ধুকে হত্যায় জড়িত বিপদগামী সেনা কর্মকর্তাদের রক্ষা, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাসহ কিভাবে দেশের বাইরে পাঠানো হয়েছে তার বর্ণনা দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় বিদেশে আত্মগোপনে থাকা খুনীদের একজন ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ। দীর্ঘদিন ভারতের কলকাতায় আত্মগোপনে থাকার পর করোনা সংক্রমনের কারণে গত জুলাই মাসে দেশে ফিরে মাজেদ। এরপর পুলিশের কাউন্টার টেরোটিজম ইউনিটের অভিযানে তিনি গ্রেফতার হন এক আত্মীয়ের বাসা থেকে। পরে পুলিশী হেফাজত থেকে তাকে আদালতে হাজির করে জেলে পাঠানো হয়। পরে তার ফাসিঁ কার্যকর করা হয়। গোয়েন্দাদের একটি সূত্র জানায়, দীর্ঘ ২৩ বছর বিদেশে আত্মগোপনে ছিলো ক্যাপ্টেন মাজেদ। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর আত্মস্বীকৃত পলাতক খুনীদের একজন ক্যাপ্টেন মাজেদ। সর্বশেষ যে ৬ খুনী পলাতক ছিলো তাদের মধ্যে মাজেদের অবস্থান ছিলো ভারতে। এখনো আত্মগোপনে থাকা ৫ খুনীর সঙ্গে ভারতে আত্মগোপনে থাকা অবস্থায় মাজেদের যোগাযোগ হতো। করোনাকালীণ সময়ে মাজেদ অতী গেপনে সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরার পর ঢাকায় এক আত্ময়ের বাসায় আশ্রয় নেয়। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিত্বে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আদালতে উঠানো হলে তাকে জেলে পাঠায়। এরপর রাষ্ট্রপতির কাছে ফাসিঁর দন্ড মওকুফ করার জন্য আবেদন করে মাজেদের পরিবার। কিন্তু আবেদন বাতিল করা হলে ফাষি কার্যকর করা হয়। ফাসি কার্যকরের আগে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা এবং খুনীরা কিভাবে কার আশ্রয়ে ছিলো সে বিষয়ে বিস্তারিত বলেছে।

গোয়েন্দাদের একটি সূত্র জানায়, গ্রেফতার হওয়ার পর সেনাবাহিনী থেকে বহিস্কৃত ক্যাপ্টেন আব্দল মাজেদ বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যার ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেন এবং এই ঘৃন্য কাজের জন্য অনুতপ্ত ছিলেন। পলাতক অবস্থায়ও তিনি এ কাজের জন্য অনুতপ্ত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার জন্য কিলিং মিশনে অংশ নিয়ে পরবর্তীতে নানাভাবে আশ্রয় পশ্রয় পেলেও ১৯৯৬ সালে আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসার পর খুনীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় তখণ ক্যাপ্টেন মাজেদও পালান। গোয়েন্দা সূত্র জানায়, বঙ্গব›ন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যায় বিপদগামী সেনাদের যে ক্যু হয়েছে ওই ক্যুর বিষয়ে সাবেক সেনা প্রধান ও রাষ্ট্রপতি বিএনপির প্রতিষ্ঠান জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততার বিষয়ে ক্যাপ্টেন মাজেদই জানিয়েছেন। ক্যাপ্টেন মাজেদের দেয়া জবানবন্দিতে ওই নৃশংস ঘটনায় জড়িতদের আশ্রয়, পশ্রয় দেয়া, চাকুরী দেওয়া, বিদেশে পাঠিয়ে দেওয়া, দেশে ফিরিয়ে আনা, হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার নানা চেষ্টায় জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্তা মাজেদের জবানবন্দিতে উঠে আসে। ক্যাপ্টেন মাজেদের দেয়া জবানবন্দি সে সময় ভিডিও অডিও করে রাখা হয়। যা দিয়ে একটি ডকুমেন্টারি তৈরী করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ১০ মিনিটের ভিডিওতে ক্যাপ্টেন মাজেদ বলছিলেন ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে জিয়াউর রহমান সাহেব ১০ টা অথবা ১১ টায় ক্যান্টনম্যান্ট অডিটরিয়ামে ঢাকা ক্যান্টনম্যান্টের সব জোয়ান( আর্মি সৈনিক) এবং অফিসারদের এড্রেস করেন। ওইখানে ওসি( জিয়াউর রহমান) সবাইকে মটিভেট (বুঝানো) করেন যে গত রাতে যে ঘটনা ঘটে গেছে তোমরা সে সমস্ত নিয়ে কোন রকম মাথা ঘামাবে না। তোমরা সবাই চেইন অব কমান্ডে ফিরে যাও। সবাই কাজ কর্ম করো। এটা জাতির বিষয়। এটা আমাদের বিষয় না। এভাবে ওসি সব অফিসার ও জোয়ানদের মডিভেট লেকচার দিয়েছেন।

ক্যাপ্টের মাজেদকে বলেন, বঙ্গভবনে ওনি( জিয়াউর রহমান) বঙ্গবন্ধুর খুনীদের সঙ্গে দেখা করতেন। খুনীরাও ওইখান থেকে সরাসরি যোগাযোগ করতেন জিয়াউর রহমানের সঙ্গে। তখন আর্মির চেইন অব কমান্ড বলতে কিছুই ছিলো না। ওরাই( বঙ্গবন্ধুর খুনীরা) চালাতো প্রাকটিক্যালি ওই খান থেকে। আমি একটি সার্ভিসের বিষয়ে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে দেখা করতে যাই। তখন ওনার সঙ্গে আমার বেশ কিছু আলোচনা হয়। আলোচনায় তখন বুঝতে পারি ওই ক্যুর( ক্যু করে বঙ্গবন্ধুকে স্ব পরিবারে হত্যা ও জেলখানায় জাতীয় ৪ নেতাকে হত্যা) বিষয়ে জিয়াউর রহমান পক্ষপাতমূলখ কথাবার্তা বলছেন। তখন ওনার ওই পক্ষপাতমূলক কথাবার্তায় বুঝি যে ক্যুর বিষয়ে জিয়াউর রহমানের সমর্থণ ছিলো। ক্যাপ্টের মাজেদের জবানবন্দি বলে গেছেন, ওদের সঙ্গে (খুনীদের) ওনার( জিয়াউর রহমানের সবকিছু যোগাযোগ ছিলো। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর যখন খুনীদের বিদেশ যাওয়ার প্রশ্ন আসে তখন ওনি বঙ্গবভবনে। তখণ দেখি ওনার সাথে মিলিটারী সেক্রেটারী। তারা প্রেসিডেন্ট এর সঙ্গে কথাবার্তা বলচেন। এগুলো দূর থেকে আমারা দেখেছি। পরে বললো এখানে( বঙ্গভবনের) সে সকল অফিসাররা আছে যারা সবাই বিদেশে যাবে। তাদের কাগজপত্র তৈরী করার জন্য মিলিটারী সেক্রেটারী ছিলেন। তখন বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাশহুর হক উনাকে নির্দেশ দেন । যেহেতু আমারা বঙ্গভবনে ডিউটিতে ছিলাম, স্কট ডিউটি আমাদেরকেও ব্যাংককে পাঠিয়ে ছিয়েছেন। বাংককে যাওয়ার পর সেখান থেকে আমাদের ফেরত পাঠায়নি বরং সেখান থেকে তখন শুনলাম জিয়াউর রহমান সাহেব পুরো ক্ষমতায়। তিনি (জিয়াউর রহমান) তাদেরকে( খুনীদের) লিবিয়ায় আশ্রয়ের বন্দোবস্ত করেছেন। তার পরে শুনলাম তারা (বঙ্গবন্ধুর খুনীরা) জেলখানায় ৪ জন জাতীয় নেতাকে মেরে গেছে।

লিবিয়ায় যাওয়ার পর বলা হয় সবার জন্য ফরেন সার্ভিস হবে। জিয়াউর রহমান সবাইকে প্রাইজ হিসেবে ফরেন সার্ভিস দিবেন। প্রমোশনও দিয়ে দিবেন। লিবিয়ায় খুনীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতো জেনারেল নুরুল ইসলাম।ভ জিয়াউর রহমান তাকে পাঠাতেন খুনীদের মিটিং করতে। কার কোথায় ফরেন পোস্টিং হবে সেই চয়েজ নিতেই তিনি ( জেনারেল নুরুল) লিবিয়ায় গেছেন জিয়াউর রহমানরে পক্ষ হয়ে। উনি তো.. উনার( জিয়াউর রহমান) ডাইরেক্ট মদদ ছিলো ওদের প্রতি(খুনীদের)। ওনি( জিয়াউর রহমান ) তো ওদের( খুনীদের) পেট্রোনাউজড , একটা করে প্রমোশন জাম্পড এবং একটা করে প্রাইজ ফরেন পোষ্টিং দিয়েছেন। ফরেণ সার্ভিসের জন্য ওইসব অফিসাররা( বঙ্গবন্ধুর খুনীরা) কোয়ালিফাইড ছিলো না। ফরেন সার্ভিস এর জন্য কোয়ালিফাইড অফিসার হলো সর্ট সার্ভিস কমিশনড অফিসার। অযোগ্য হওয়া সত্বেও যেভাবে তাদের (বঙ্গবন্ধুর খুনীদের) প্রমোশন দেওয়া হয়েছে তাতে এটা বুঝা গেছে জিয়াউর রহমান খুনীদের একদন ইয়ে হয়ে গেছেন।আর লেয়ার থেকেই ওনার ( জিয়াউর রহমান) সঙ্গে কথা। ওনার কথায় বুঝা যায় ক্যু এর জন্য বঙ্গবভন থেকেই তাদের পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে(খুনীদের)। তাদের জন্য পাসপোর্টও করে দেওয়া হয়েছে। এমন অনেক অফিসার ছিলেন যারা বিয়ে না করেও অণ্যের স্ত্রীকে সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন বান্ধবী সাজিয়ে। আরো কত কি হয়েছে। এ বিষয়ে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা শেষে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জেনারেল জিয়াউর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি মাজেদ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা বলেছেন। জিয়াউর রহমান কীভাবে তাদের মদত দেন, কীভাবে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ করে দেন এবং সহযোগিতা করেন তাও বলেছেন।’ আরেক প্রেসিডিয়াম সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান এমপি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর ৫ খুনি এখনও বিদেশে পালিয়ে আছে। খুনিরা যেসব দেশে পালিয়ে রয়েছে সেসব দেশের সরকারের সঙ্গে সরকার কূটনৈতিকভাবে আলোচনা করেছে। তাদের দেশে ফেরত এনে রায় কার্যকর করা হবে। ইতোমধ্যে কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমরা আশাবাদী, তাদের দ্রৃততম সময়ে দেশে ফেরত আনা সম্ভব হবে। বাকি ৩ জন এখনও পলাতক রয়েছেন। তাদের ব্যাপারেও খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। ২০২০ সালের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর বাকি খুনিদের ফাঁসির রায় কার্যকর করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করি।’

উল্লেখ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ধানমন্ডির ৩২ নম্বর সড়কের বাড়িতে বঙ্গবন্ধুকে স্ব-পরিবারে নির্মম ভাবে হত্যা করেছিল বিপথগামী উচ্ছৃঙ্খল খুনি সেনাসদস্যরা। ইতিহাসের সবচেয়ে নিষ্ঠুর ও বর্বরোচিত এই হত্যাযজ্ঞ চালায়। সেদিন নৃশংস হত্যাকা-ে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে প্রাণ হারান সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল, শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ রোজী জামাল, ভাই শেখ নাসের, ও কর্নেল জামিল। ইতিহাসের এই বর্বরোচিত হত্যাকা-ে সেদিন আরও প্রাণ দিয়েছিলেন শেখ ফজলুল হক মণি, তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী আরজু মণি, ভগ্নিপতি আবদুল রব সেরনিয়াবাত, শহীদ সেরনিয়াবাত, শিশু বাবু, আরিফ রিন্টু খানসহ অনেকে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর ১৯৯৬ সালের ২ অক্টোবর রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। বঙ্গবন্ধুর তদানীন্তন এপিএস মহিতুল ইসলাম বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। সিআইডির তৎকালীন এএসপি আব্দুল কাহার আকন্দ মামলাটি তদন্ত করে আদালতে চার্জশিট (নং৭) দাখিল করেন ১৯৯৭ সালের ১৫ জানুয়ারী । চার্জশিটে ২০জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ১১ নভেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন জজ কোর্ট হতে চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায়ে ১৫ আসামিকে মৃত্যুদন্ড ও ৫ আসামিকে অব্যাহতি দেয়া হয়। এরপর উচ্চ আদালত থেকে ১২ জনকে মৃত্যুদন্ড ও ৩জনকে অব্যাহতি দেয়া হয়। ২০১০ সালে ২৮ জানুয়ারি ৫ আসামির মৃত্যুদন্ড (ফাঁসি কার্যকর) করা হয়। ২০০১ সালে এক আসামি জিম্বাবুয়েতে মৃত্যুবরণ করেছে বলে জানা যায়। ২০২০ সালের ১২ এপ্রিল রেডনোটিশধারী আসামি লেঃ আব্দুল মাজেদ করোকার কারণে ভারতের কলকাতায় আত্মগোপনে থাকার পর দেশে ফিরলে ফাঁসি কার্যকর হয়। এর আগে ১৯৯৭ সালের সেপ্টেম্বরে, পলাতক খুনীদের গ্রেফতারে ইন্টারপোলের মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার রাষ্ট্রীয় শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হবার পর ’বঙ্গবন্ধুর খুনীদের বিচার করা যাবে না’ মর্মে তৎকালীন সরকারের ’ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স’ জাতীয় সংসদের মাধ্যমে বাতিল করে এই খুনীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করে। গ্রেফতার হয়ে কারাগারে থাকা ৫ আসামীর ফাঁসির দন্ডাদেশ কার্যকরে আপিল বিভাগের ’ক্লিয়ারেন্স’ নিশ্চিত হয়ে গেলে আসামীদের শেষ আইনী আশ্রয়ের পথ বন্ধ হয়ে যায়। দন্ডাদেশ কার্যকর হওয়া আসামীরা হচ্ছে- সাবেক লে: কর্নেল ফারুক রহমান,মহিউদ্দিন আহমেদ (অর্টিলারি),শাহরিয়ার রশিদ খান,একএম মহিউদ্দিন আহমেদ (ল্যান্সার) এবং সাবেক মেজর বজলুল হুদা। বজলুল হুদাকে থাইল্যান্ডের সঙ্গে বন্দি বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে সরকার ব্যাংকক থেকে এবং সাবেক তত্বাবধায়ক সরকারের সময় যুক্তরাষ্ট্র থেকে সাবেক লে:কর্নেল একেএম মহিউদ্দিন আহমেদ (ল্যান্সার) কে দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.