বাউল শিল্পী হায়দার আলী দেওয়ান চিশতীর বর্ণাঢ্য জীবন

সংবাদ জমিন রিপোর্ট ঃঃ

বাউল শিল্পী হায়দার আলী দেওয়ান চিশতী সকলকে কান্নায় ভাসিয়ে চলে গেছেন বুহু দূরে, হাতের নাগালের বাইরে, না ফেরার দেশে। তার বর্ণাঢ্য জীবন ছিল বড়ই সুখের, সংগ্রামী ও অধ্যবসায়ের। বড় প্রাপ্তির পেছনে হাতেখড়ি ছিল তার আধ্যাত্মিক সাধনা।

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার শায়েস্তা ইউনিয়নের টান গোপালনগর গ্রামে এ প্রাণপুরুষ জন্মগ্রহন করেন। শৈশব থেকেই গানের নেশা তাকে আঁকড়ে ধরেছিল। সাধনা ও সংগ্রামকে সঙ্গী করেই ধীরে ধীরে হয়ে উঠেন নামকরা বাউল শিল্পী। এক পর্যায়ে উত্তরসূরী হিসেবে আল হোসাইনী দরবার শরীফের গদীনিশীন হন। গদীনিশীন হওয়ার পর অসংখ্য ভক্ত, অনুরাগী তার বায়াত গ্রহন করে। বাংলাদেশ বাউল ফাউন্ডেশনের পর পর ৩ বার তিনি সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। ১৯৮৮সালে নিজের লেখা গান পরিবেশনের জন্য সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ তাকে স্বর্ণপদক দিয়ে সন্মান জানিয়েছিল। এছাড়া সামাজিক কাজেও তার ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য। কানাইনগর ঈদগাহ মাঠের একনাগারে ২৩ বছর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষা অনুরাগী হিসেবে সাহরাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ছিলেন স্বনামধন্য ন্যায় বিচারক। আলহোসাইনী দরবার শরীফের বর্তমান গদীনিশীন পীর ও মরহুম হায়দার আলী দেওয়ানের সুযোগ্য পুত্র সাংবাদিক ইয়াকুব মোল্লা বলেন, আমার মরহুম বাবার জন্য আপনারা দোয়া করবেন। আমার আ-জীবন স্বাধনা থাকবে তার যোগ্য উত্তরসূরী হওয়া। আর এ জন্য আমি সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.

শিরোনাম