থাইল্যান্ড চালকবিহীন গাড়ি নির্মাণ করে ইতিহাস গড়ল

নিজস্ব বার্তা পরিবেশক, সংবাদ জমিন ঃঃ

চালকবিহীন গাড়ি ব্যবহারের লক্ষ্যে হুয়াওয়ে, থাইল্যান্ড ন্যাশনাল ব্রডকাস্টিং ও টেলিকমিউনিকেশন কমিউনিকেশন (এনবিটিসি) এবং সিরিরাজ হাসপাতাল যৌথভাবে সম্প্রতি প্রথমবারের মতো থাইল্যান্ডের স্মার্ট হাসপাতালে ‘আনম্যানড ভেহিকেল পাইলট প্রজেক্ট ড্রাইভিং থাই হেলথকেয়ার টু ফাইভজি এরা’ চালু করেছে। হুয়াওয়ের ফাইভজি প্রযুক্তির সুবিধা নিয়ে এ চালকবিহীন গাড়িগুলো কোনো সংস্পর্শ ছাড়াই চিকিৎসাসেবা সংক্রান্ত উপকরণ সরবরাহ করতে পারবে; এ প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের ব্যবহার চিকিৎসা পদ্ধতিকে ফাইভজি যুগে উন্নীত করবে এবং চিকিৎসা সেবা ও স্বাস্থ্য খাতেও নতুন মাত্রা যোগ করবে। এ ধরনের প্রযুক্তি জটিল পরিবেশে কার্যক্রম চালাতে সক্ষম বলে লিজিস্টিক সেবায় মানুষের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। চালকবিহীন এ গাড়ি নিরাপদ, সহজে ব্যবহারযোগ্য, সাশ্রয়ী সমাধান এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের কাজের চাপ কমিয়ে রোগীদের সুরক্ষা নিশ্চিতেও বেশ কার্যকর। এর ফলে, সামনের দিনগুলোতে জাতীয় স্বাস্থ্য খাতকে স্মার্ট হাসপাতালের রূপ দেওয়ার জন্য ক্রমান্বয়ে ফাইভজি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। জাতীয় সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগ কমিশন কার্যালয়ের মহাসচিব টাকর্ন তানতাসিথ বলেন, ‘ফাইভজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এনবিটিসি দূরবর্তী চিকিৎসাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে কমিউনিটি হেলথ প্রমোশন হাসপাতাল ও স্থানীয় বড় হাসপাতালগুলোর সাথে যুক্ত হয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চার ধরনের রোগের চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে। এগুলো হলো: চোখের সমস্যা, চর্মরোগ, রক্তচাপে অস্বাভাবিকতা এবং ডায়াবেটিস। প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ ও কারাবন্দীদের চিকিৎসা প্রদানের জন্য রাচাবুরি প্রদেশের রাচাবুরি কেন্দ্রীয় কারাগার এবং খাও বিন কেন্দ্রীয় কারাগারে এভাবে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের কাছে ফাইভজি উদ্ভাবনগুলোর সর্বোচ্চ সুবিধা পৌঁছে দেয়াই এনবিটিসির চলমান প্রকল্পগুলোর লক্ষ্য।’ এ বিষয়ে হুয়াওয়ে থাইল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী আবেল ডেং বলেন, ‘শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান হিসেবে হুয়াওয়ে ধারাবাহিকভাবে থাইল্যান্ডের চিকিৎসা কর্মীদের সহযোগিতায় অংশ নিতে পেরে আনন্দিত। সিরিরাজ হাসপাতালে হুয়াওয়ের ফাইভজি প্রযুক্তির সহায়তায় চালকবিহীন গাড়ির পরীক্ষামূলক প্রকল্পটি হাসপাতালের ভেতরে চিকিৎসা উপকরণ পরিবহনে সহায়তা করবে। এ পরীক্ষামূলক প্রকল্পটি থাইল্যান্ডের চিকিৎসা সেবার দ্রুত ডিজিটালাইজেশনের একটি অন্যতম নজির, কেননা ফাইভজি প্রযুক্তিই পরবর্তী প্রজন্মের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.