আমি আমাদের সেরা রুপ বের করে আনবো, নিকৃষ্ট রুপ নয় : বাইডেন

সংবাদ জমিন, অনলাইন ডেস্ক ঃঃ

যুক্তরাষ্ট্রের আগামী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে আলো ও আধারের মধ্যকার যুদ্ধ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘদীন ধরে অন্ধকারে ঢেকে রেখেছেন। তিনি আরো বলেন, আমি আলোর মিত্র হবো, অন্ধকারের নয়। বৃহস্পতিবার দলীয় মনোনয়ন গ্রহণের সময় এসব কথা বলেন তিনি। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।

খবরে বলা হয়, এখন পর্যন্ত জনমত জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। তবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে এখনো প্রায় আড়াই মাস সময় বাকি আছে। এ সময়ের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনতে পারেন ট্রাম্প। বৃহস্পতিবার বাইডেন বলেন, ট্রাম্প অতিরিক্ত ক্ষোভ, ভীতি ও বিভাজন ছড়িয়েছেন।

নিজের জন্মস্থান ডেলওয়ারের উইলমিংটনে দেওয়া বক্তব্যে বাইডেন আরো বলেন, আমি এই মুহূর্তে, এখন আপনাদের কথা দিচ্ছি, আপনারা যদি আমায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি আমাদের সেরা রূপ বের করে আনবো, নিকৃষ্ট রূপ নয়। আমি আলোর মিত্র হবো, অন্ধকারের নয়। তিনি আরো বলেন, এখন সময় হয়েছে, আমরা জনগণরা একসঙ্গে হওয়ার। আর ভুল করবেন না, একসঙ্গে আমরা আমেরিকার এই অন্ধকার মৌসুম কাটিয়ে উঠতে পারবো ও করবো। আমরা ভীতির জায়গায় আশা বেছে নেবো, কল্পনার জায়গায় সত্য, সুবিধার জায়গায় ন্যায্যতা।

বাইডেন বলেন, আগামী নভেম্বরের ব্যালটে চরিত্র নির্ধারণ করা হবে। আমরা চাইলে আরো ক্ষোভের, কম আশার, আরো বিভাজনের, ছায়া ও সন্দেহের রাস্তা বেছে নিতে পারি। অথবা, আমরা ভিন্ন একটি পথ বেছে নিতে পারি ও একসাথে সুস্থতা, সংস্কার ও একতার সুযোগ নিতে পারি। আশা ও আলোর পথ বেছে নিতে পারি। এটা জীবন বদলে দেওয়ার নির্বাচন। এই নির্বাচন ঠিক করবে এরপর দীর্ঘদীন ধরে আমেরিকা কেমন থাকবে।
ট্রাম্পকে নিয়ে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী বলেন, আমরা এই প্রেসিডেন্ট সম্পর্কে জানি। তাকে আরো চার বছর দেওয়া হলেও তিনি এখন যা আছেন তখনও তাই থাকবেন। এই প্রেসিডেন্ট দায়িত্ব নেন না, নেতৃত্ব দিতে অস্বিকৃতী জানান, অন্যের ওপর দোষ চাপিয়ে দেন, স্বৈরশাসকদের সুনজরে দেখেন এবং বিদ্বেষ ও বিভাজনের উস্কানি দেন। তিনি প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠবেন এটা ভেবে যে, এই চাকরি সম্পূর্ণ তার নিজের ব্যাপারে, আপনাদের ব্যাপারে নয়। আপনারা কি নিজের জন্য, নিজের পরিবার ও সন্তানের জন্য এমন আমেরিকা দেখতে চান?

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.