রায়হানের মায়ের অনশন ভাঙ্গালেন মেয়র আরিফ

সংবাদ জমিন, অনলাইন ডেস্ক ঃঃ

সিলেটে নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত পুলিশের এসআই আকবর ভূঁইয়াসহ দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে আমরণ অনশন করছেন রায়হানের মা  ও তার স্বজনরা। আজ সকাল ১০টার দিকে কোতোয়ালি মডেল ধানাধীন বন্দরবাজার ফাঁড়ির সামনে তারা অনশন শুরু করেন। এ সময় গণমাধ্যমকে রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন, আমার ছেলের হত্যাকারীকে যতক্ষণ পর্যন্ত গ্রেপ্তার না করা হবে ততক্ষণ অনশন চালিয়ে যাবো। আমার ছেলেকে যেখানে হত্যা করা হয়েছে, প্রয়োজনে আমিও সেখানে মারা যাব। তিনি আরো বলেন, যারা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে তাদেরকে কেন এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? তাদেরকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে নিলে এ ঘটনায় জড়িত সবার নাম বেরিয়ে আসবে। এই ফাঁড়ির ইনচার্জ আকবরকেও দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। সব দোষীরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি চলবে। অনশনে রায়হানের স্বজনদের সঙ্গে স্থানীয় লোকজন যোগ দিয়েছেন।

তারা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে দ্রুত বিচারের দাবি জানাচ্ছেন। এ সময় রায়হানের মায়ের হাতে একটি প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। তাতে লেখা রয়েছে- আমার ছেলে কবরে খুনি কেন বাইরে? রায়হানের স্বজনরা জানান, এর আগে আমরা জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছিলাম। কিন্তু এখন পর্যন্ত মূল আসামী এসআই আকবরকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। তাই আমরা আমরণ অনশনে নেমেছি। যতক্ষণ তাকে গ্রেপ্তার করা না হবে ততক্ষণ অনশন চলবে বলে জানায় তারা।ওদিকে এসআই আকবরকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে স্থানীয়রা। বেলা ১২টার দিকে শত শত মানুষ নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন । বিক্ষোভকারীরা জানান, এসআই আকবর রায়হানকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। শুধু রায়হানকে নয় এই অঞ্চলের অনেক মানুষ তার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারতো না। বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করতো এবং হয়রানি করতো। এজন্য তার ফাঁসির দাবিতে সিলেটের মানুষ ফুঁসে উঠেছে।

এর আগে রায়হানের মৃত্যুর ৮ দিনের মাথায় তার পরিবার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে ৬ দফা দাবিসহ এসআই আকবরকে গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়া হয়।ওদিকে এসআই আকবরকে দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে স্থানীয়রা। বেলা ১২টার দিকে শত শত মানুষ নিয়ে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন । বিক্ষোভকারীরা জানান, এসআই আকবর রায়হানকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। শুধু রায়হানকে নয় এই অঞ্চলের অনেক মানুষ তার নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার কারণে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা শান্তিতে ব্যবসা করতে পারতো না। বিভিন্ন সময় চাঁদা দাবি করতো এবং হয়রানি করতো। এজন্য তার ফাঁসির দাবিতে সিলেটের মানুষ ফুঁসে উঠেছে।

এর আগে রায়হানের মৃত্যুর ৮ দিনের মাথায় তার পরিবার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এতে ৬ দফা দাবিসহ এসআই আকবরকে গ্রেপ্তারে ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়া হয়।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.

শিরোনাম