চট্রগ্রামের রাজ ভিক্ষুক জাকির

পীর হাবিবুর রহমান ঃঃ

এবার চট্টগ্রামের এক রাজ ভিখিরির খবর পেলাম।এতদিন কেউ পদক বানিজ্য করে আসছে,কেউবা দু:স্হ মুক্তিযোদ্ধাদের নামে বাড়ি করে দেবার নামে ফেসবুক চাঁদাবাজি,কেউবা অসুস্হদের সাহায্যে চাঁদা তোলা!অন্যের আইডি হ্যাক করে টাকা চাওয়া কত কি!দুচারবার সরল মনে ধরাও খেয়েছি।
সেদিন এক মহিলা বললের চট্টগ্রামের জাকির নামের এক লোক খুব অসহায় মানবেতর জীবন যাপন করছে বলে তার কাছে নিয়মিত সাহায্য চেয়ে আসছে।তিনিও নিয়মিত দিচ্ছেন।সর্বশেষ সে দুই হাজার টাকা সাহায্য নিয়েছে। তার বিশ্বাস সামনে সে পাঁচশোও নেবে।খোঁজ নিয়ে জানা যায় সে ৫০হাজার টাকার ভাড়া বাড়িতে থাকে,মেয়েকে বিদেশ পড়ায়।ভিক্ষে করে তার স্টেটাসও বজায় রাখে।তার ঘনিষ্ট অনেক বন্ধু ডাক্তার ব্যবসায়ী, সমাজে প্রতিষ্ঠিত।তারা কি তাকে এ স্টেটাস থেকে নামিয়ে জীবন ধারনের জন্য একটা মুদি দোকান করে দিতে পারেননা?জাকিরকে চিনে আমার এক বন্ধু বলেছে সে শতাধিক মানুষের তালিকা করে এভাবে ভিক্ষাবৃত্তি করে আসছে।তার কাছেও কবার চেয়েছে দেয়নি।বুঝতে পারিনা মানুষ গরিব রোগীর চিকিৎসা সাহায্য,পড়ালেখার সাহায্য করেনা অথচ এরকম চেছড়া ভিখিরি, রাস্তার টোকাই পুষে কিসের স্বার্থে??
রাবির এক ব্যাচমেট আমাকে ফেসবুকে সাহায্য চেয়ে পাগল করে ফেললো।আমি খোঁজ নিলাম বন্ধুদের কাছে।তারা বললো খাসলত।সম্পদ আছে অনেক।সাড়া দেইনি।
প্রখ্যাত আইনজীবি ব্যারিষ্টার রফিক উল হক আমাকে স্নেহ করতেন।দুহাতে রুজি দু হাতে নিরবে মানবতার সেবায় দান।আমি একবার এ নিয়ে রিপোর্ট করি।এক মহিলা তাকে সাহায্য করার জন্য আমাকে পাগল বানিয়ে ছাড়েন।আমি রফিক উল হকের ফোন নম্বর দিয়ে দেখা করতে বলি।মহিলা যান।বলেন তার একটা মেয়ে চীনে ডাক্তারি পড়ে,সাহায্য দরকার।ব্যারিষ্টার রফিল উল হক মহিলাকে বলেন,সামর্থ ছাড়া বিদেশ মেয়েকে পড়াবেন কেনো?দেশে পড়ালে অার্থিক সংকট থাকলে আমরা টিউশনি ফি মওকুফ করিয়ে দিতাম।
জাকিরদের মতোন ভিক্ষুকরা সারাদেশে,সমাজে,এদের সাহায্য না করে যে চাইতে পারেনা সেই গরিবকে গোপনে সাহায্য করুন।ভিক্ষের টাকায় বিলাসি জীবন কেনো?গরিব হওয়া অপরাধ নয়,অসৎ ভিক্ষুক, প্রতারনা ঘুষ দূর্নীতি অপরাধ।এটাকে প্রশ্রয় দিবেননা।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.

শিরোনাম