মানিকগঞ্জে বন্যার ভাঙ্গনে বাস্তুহারা হবে অনেক মানুষ

সংবাদ জমিন রিপোর্ট ঃঃ
প্রতিবছর মানিকগঞ্জে নদী গর্ভে বিলীন হচ্ছে শ’শ বাড়িঘর। বাস্তুহারা হচ্ছে অনেক মানুষ। এসব মানুষের অসহায়ত্ব যেন সারা জীবনের নিত্য সঙ্গী। ভিক্ষা বৃত্তি পেশাকেই তারা জীবন সঙ্গী হিসেবে বেছে নিচ্ছে। বন্যা কিংবা স্রোতের ভাঙ্গনে এবার অনেক বাস্তুহারা হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।

মানিকগঞ্জের নদী পার কিংবা চরাঞ্চলের মানুষ হচ্ছে বাস্তুহারা প্রতিবছরই। এরা বাস্তুহারা হলে কি হবে ? সরকারের নেই কোন কার্যকরী উদ্যোগ। ভূমি মালিকরা সরকারি খাস জমি পায়, ভূমি পায় না নদী গর্ভে বিলীন বাস্তুহারার দল। প্রতিবছরই নদীপার কিংবা চরাঞ্চলের মানুষের কাছে হায়েনা হয়ে দেখা দেয় পদ্ধা, যমুনা ও কালিগঙ্গা। এবার বন্যার ভাঙ্গনে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে সবচেয়ে বেশি বাড়িঘর ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। বাস্তুহারা হতে যাচ্ছে সবচেয়ে বেশি মানুষ। এদের সাহায্যের আশায় নিত্য সময় পার করতে হচ্ছে। বন্যার স্রোতে জেলার চরাঞ্চল কিংবা নদী পারের মানুষগুলোর মধ্যে ঘিওর, দৌলতপুর, শিবালয় ও হরিরামপুরে ভাঙ্গনের মাত্রা ভয়াভহ রুপ নিয়েছে। বাদ যায়নি সিংগাইর উপজেলাও। দৌলতপুর উত্তরখন্ডে দেখা যায়, প্রতিদিনই ভাঙ্গছে বাড়িঘর। ভাঙ্গনের মাত্রা ভয়াবহ রুপ নিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ইতিমধ্যে অনেক বাড়িঘর বিলীন হয়ে গেছে। এরা এখন বাস্তুহারা। সীমাহীন কষ্টের মধ্যদিয়ে এরা দিনাতিপাত করছে। চরকাটারী ইউনিয়নের বোর্ডঘর বাজার এলাকায় সবকিছু হারিয়ে আশ্রয় নিয়েছে এসব বাস্তুহারা মানুষের দল। বাচামারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুুল লতিফ সাংবাদিকদের জানান, প্রতিবছর ও এবার বন্যায় অনেক বাড়িঘর এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ছোট হয়ে আসছে আমার ইউনিয়নের মানচিত্র। বাঁধ না দিলে ভবিষ্যতে এ ইউনিয়ন অস্তিত্ব সংকটে পড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই। জেলা প্রশাসন বলছে সীমাহীন কষ্টের শিকার এসব মানুষগুলোর কষ্ট লাঘব ও খাসজমি বন্দোবস্তের জন্য সরকার কাজ করছে। পর্যবেক্ষন করে বাঁধ নির্মাণ করার ব্যবস্থা করা হবে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.

শিরোনাম